"”রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন কথা বলতেন, খুব স্পষ্ট ও পরিষ্কার করে বলতেন। শ্রোতাদের সবাই তা হৃদয়াঙ্গম করে নিতে পারতো।” [আবু দাউদ]
সংগ্রহঃ রিয়াদুস সালেহীন, খন্ডঃ ২ হাদিসঃ ৬৯৭
সহীহ ও গুরুত্বপূর্ণ হাদিস সংবলিত এবং বিশ্বের অসংখ্য ভাষায় বহুল প্রচারিত গ্রন্থ 'রিয়াদুস সালেহীন'
"”রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন কথা বলতেন, খুব স্পষ্ট ও পরিষ্কার করে বলতেন। শ্রোতাদের সবাই তা হৃদয়াঙ্গম করে নিতে পারতো।” [আবু দাউদ]
"আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কখনো অট্টহাসি দিতে দেখিনি যাতে তাঁর মুখ গহবর প্রকাশ পায়। তিনি সাধারণত মুচকি হাসি দিতেন।" [বুখারী, মুসলিম]
"যার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্ত্বার কসম করে বলছিঃ তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে যেতে পারবে না, আর পরস্পর ভালোবাসা স্থাপন না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজের কথা বলে দেবো না যা করলে তোমরা পরস্পর ভালোবাসতে পারবে? (তা হলো) তোমরা পরস্পর সালাম প্রথা চালু করো"। [মুসলিম]
রাসুলে আকরাম (সা) জুম'আর (ফরজ) নামাজের পর বাসায় ফিরে যেতেন এবং বাসায় দুই রাকায়াত সুন্নত নামাজ আদায় করতেন [মুসলিম]
"যখন তোমাদের কেউ জুম'আর নামায আদায় করল তখন সে যেন তারপর চার রাকায়াত সুন্নত নামায পড়ে" [মুসলিম]
"কোন সৎকাজকে অবজ্ঞা করো না, যদিও তা তোমার ভাই এর সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করার কাজ হয়।" [মুসলিম]
হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
"দোযখকে লোভনীয় জিনিস দিয়ে আড়াল করে রাখা হয়েছে। আর জান্নাতকে দুঃখ-কষ্টের আড়ালে রাখা হয়েছে।" [বুখারী ও মুসলিম]
কিয়ামাতের দিন মুমিন ব্যক্তিকে তার রবের কাছে নিয়ে আসা হবে, এমনকি তিনি তাকে তার রহমতের পর্দায় ঢেকে রাখবেন। অতঃপর তিনি তাকে তার সমস্ত গুনাহর কথা স্বীকার করাবেন এবং বলবেনঃ তুমি কি এই গুনাহ চিনতে পারছো, তুমি কি এই গুনাহ চিনতে পারছো? সে বলবে, হে আমার রব! আমি চিনতে পারছি। তিনি বলবেন, দুনিয়ায় আমি এটা তোমার পক্ষ থেকে ঢেকে রেখেছিলাম, আর আজ এটা তোমাকে মাফ করে দিচ্ছি। অতঃপর তাকে সৎ কাজসমূহের একটি আমলনামা দান করা হবে। [বুখারী ও মুসলিম]
সেই মহান সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার জীবন! তোমরা যদি গুনাহ না করতে, তাহলে আল্লাহ তোমাদের তুলে নিয়ে যেতেন এবং তোমাদের জায়গায় এমন জাতিকে আনতেন, যারা গুনাহ করে আল্লাহর কাছে মাফ চাইতো, অতঃপর আল্লাহ তাদের মাফ করে দিতেন”। [মুসলিম]
মহান আল্লাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি একটি সৎ কাজ করবে, সে এর দশগুণ অথবা অধিক সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি একটি অন্যায় করবে, সে তেমনি একটি অন্যায়ের শাস্তি পাবে অথবা আমি মাফ করে দেবো। যে ব্যক্তি আমার এক বিঘত নিকটবর্তী হবে, আমি তার এক হাত নিকটবর্তী হবো; যে ব্যক্তি আমার এক হাত নিকটবর্তী হবে, আমি তার দুই হাত নিকটবর্তী হবো। যে ব্যক্তি হেঁটে হেঁটে আমার দিকে আসবে আমি দৌড়ে তার দিকে যাবো। যে ব্যক্তি পৃথিবী সমান গুনাহ নিয়ে আমার সাথে সাক্ষাত করবে, অথচ যে আমার সাথে কোন কিছু শরীক করেনি, আমি তার সাথে অনুরূপ (পৃথিবীভর্তি) ক্ষমা নিয়ে সাক্ষাত করবো। [মুসলিম]
“এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কোন কাজ বলে দিন, যখন আমি তা করবো তখন আল্লাহ আমাকে ভালোবাসবেন এবং মানুষও আমাকে ভালোবাসবে। তিনি বলেন, তুমি দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত হও, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসবেন এবং মানুষের কাছে যা আছে, তার প্রতিও অনাসক্ত হও তাহলে মানুষও তোমাকে ভালোবাসবে।” [ইবনে মাজাহ]