May 20, 2012

৬৯৭

  • আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
  • "”রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন কথা বলতেন, খুব স্পষ্ট ও পরিষ্কার করে বলতেন। শ্রোতাদের সবাই তা হৃদয়াঙ্গম করে নিতে পারতো।” [আবু দাউদ]

    সংগ্রহঃ রিয়াদুস সালেহীন, খন্ডঃ ২ হাদিসঃ ৬৯৭

    ৭০৩


  • আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

  • "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কখনো অট্টহাসি দিতে দেখিনি যাতে তাঁর মুখ গহবর প্রকাশ পায়। তিনি সাধারণত মুচকি হাসি দিতেন।" [বুখারী, মুসলিম]

    সংগ্রহঃ রিয়াদুস সালেহীন, খন্ডঃ ২ হাদিসঃ ৭০৩

    May 19, 2012

    ৩৭৯

    হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ


    "যার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্ত্বার কসম করে বলছিঃ তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে যেতে পারবে না, আর পরস্পর ভালোবাসা স্থাপন না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজের কথা বলে দেবো না যা করলে তোমরা পরস্পর ভালোবাসতে পারবে? (তা হলো) তোমরা পরস্পর সালাম প্রথা চালু করো"। [মুসলিম]


    * রিয়াদুস সালেহীন [প্রথম খন্ড], হাদিস নং - ৩৭৯

    May 4, 2012

    ৪৫

    আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি মারামারিতে অন্যকে ধরাশায়ী করে সে শক্তিশালী নয়, বরং শক্তিশালী হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখে।

    (বুখারী ও মুসলিম) 

    ১৩৭০

    হযরত আবু হুরাইরা (রা) বর্ণনা করেন, রাসুল আকরাম (সা) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি লোকদেরকে ঋণ দিত। সে তার কর্মচারীকে বলত, তুমি যখন কোনো অভাবী লোকের কাছে ঋণ আদায় করতে যাবে তাকে ক্ষমা করে দিবে; সম্ভবত আল্লাহ কিয়ামতের দিন আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। অতএব, মৃত্যুর পর সে যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাত পেল আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন।

    (বুখারী ও মুসলিম)

    ১০৪

    হযরত আনাস (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা:) বলেন, মৃত ব্যক্তিকে তিনটি জিনিস অনুসরণ করে- তার পরিবার, তার মাল এবং তার আমল। তারপর দু'টি ফিরে আসে, এবং একটি তার সাথে থেকে যায়। ফিরে আসে তার পরিবার ও মাল, আর থেকে যায় তার আমল।

    (বুখারী, মুসলিম)



    ৪৭৫

    উম্মুল মু'মিনিন হযরত জুয়াইরিয়া বিনতে হারিস (রা) এর ভাই আমর ইবনে হারিস (রা) বর্ননা করেন, রাসুল আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ইন্তেকালের সময় কোন দিনার- দিরহাম (অর্থ), দাস-দাসী এবং অন্য কোন দ্রব্য সামগ্রী রেখে যাননি। তবে তার মাত্র একটি সাদা খচ্চর ছিল, যার অপর তিনি সওয়ার হতেন। এ ছাড়া তাঁর তরবারী ও মুসাফিরদের জন্য সদকাকৃত কিছু জমি তিনি রেখে যান


    (বুখারী)

    ৪৪২



    হযরত আনাস (রা) বর্ননা করেন, আমি রাসুল আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, মহান আল্লাহ সুবাহানা ওয়া'তায়ালা বলেন, "হে আদম সন্তান! তুমি যতদিন পর্যন্ত আমার কাছে দু'য়া করতে থাকবে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, আমি ততদিন তোমার গুনাহ মাফ করতে থাকব, এ ক্ষেত্রে তুমি যা কিছুই করে থাকো না কেন।
    হে আদম সন্তান! এ ব্যাপারে আমার কোন কার্পন্য নেই। কেননা তোমার গুনাহ যদি আকাশ সমান উঁচু হয়ে থাকে এবং তারপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকো, তাহলেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিব।
    হে আদম সন্তান! তুমি যদি আমার সাথে কোন কিছুকে শরিক না করে সম্পূর্ণ পৃথিবী সমান গুনাহ নিয়েও যদি আমার কাছে আসো, তাহলে আমিও ঐ পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমাকে কাছে ডাকবো"


    (তিরমিযী)

    May 3, 2012

    ৮৪৯

    আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ


    "হে লোকেরা, সালামের ব্যাপক প্রচলন ঘটাও, অভুক্তদের আহার করাও, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সদ্ব্যবহার কর এবং যখন লোকেরা ঘুমিয়ে থাকে তখন নামায পড়। তাহলে তোমরা শান্তিতে ও নির্বিঘ্নে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে"। [তিরমিযী]

    রিয়াদুস সালেহীন [৮৪৯]

    Mar 27, 2012

    ২৪৯

    হযরত উম্মে কুলসুম (রা) বর্ননা করেন, আমি রাসূলে আকরাম (সা) কে বলতে শুনেছি, কল্যাণ লাভের উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে পরস্পর বিরোধী দুই ব্যক্তির মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপন করে দেয়, সে মিথ্যাবাদী নয়
    (বুখারী ও মুসলিম থেকে রিয়াদুস সলিহীনঃ ২৪৯)


    মুসলিমের অপর এক বর্ননায় এসেছে, উম্মে কুলসুম (রা) আরো বর্ননা করেনঃ আমি রাসুল (সা) কে মাত্র তিনটা ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার অনুমতি দিতে শুনেছিঃ
    ১। বিবদমান দুই দলের মধ্যে মিথ্যা বলার মাধ্যমে মৈত্রী স্থাপন করে দেয়া
    ২। যুদ্ধের ব্যাপারে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া (তথ্য গোপন করা)
    ৩। স্বামী-স্ত্রীর একান্ত কথা বার্তায় মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া

    Mar 23, 2012

    ১১২৭

    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) বর্ণনা করেন, 
    রাসুলে আকরাম (সা) জুম'আর (ফরজ) নামাজের পর বাসায় ফিরে যেতেন এবং বাসায় দুই রাকায়াত সুন্নত নামাজ আদায় করতেন [মুসলিম]
      * রিয়াদুস সলিহীন

    ১১২৬

    হযরত আবু হুরাইরা (রা) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ 
    "যখন তোমাদের কেউ জুম'আর নামায আদায় করল তখন সে যেন তারপর চার রাকায়াত সুন্নত নামায পড়ে" [মুসলিম]

    **  রিয়াদুস সলিহীন - ১১২৬

    ১০৯৮

    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) বলেন,
    "রাসুলুল্লাহ (সা) এর সঙ্গে জুম'আর পর দুই রাকায়াত (সুন্নত) নামায পড়েছেন।"[বুখারী ও মুসলিম]

    * রিয়াদুস সলিহীন - ১০৯৮

    Mar 22, 2012

    ১২১

     হযরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ


    "কোন সৎকাজকে অবজ্ঞা করো না, যদিও তা তোমার ভাই এর সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করার কাজ হয়।" [মুসলিম]




    রিয়াদুস সলিহীন [প্রথম খন্ড] ১২১

    ১০১

    হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ


    "দোযখকে লোভনীয় জিনিস দিয়ে আড়াল করে রাখা হয়েছে। আর জান্নাতকে দুঃখ-কষ্টের আড়ালে রাখা হয়েছে।" [বুখারী ও মুসলিম]



    সূত্রঃ রিয়াদুস সলিহীন [প্রথম খন্ড] ১০১

    ৪৩৬

    হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ


    আল্লাহ সেই বান্দার উপর অবশ্যই সন্তুষ্ট থাকেন, যে এক গ্রাস খাদ্য গ্রহণ করেই তাঁর প্রশংসা করে এবং এক ঢোক পানীয় পান করেই তাঁর প্রশংসা করে (আলহামদুলিল্লাহ বলে)। [মুসলিম]



    * রিয়াদুস সালেহীন (২য় খন্ড) — ৪৩৬ 

    ৪৩৩

    ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ




    কিয়ামাতের দিন মুমিন ব্যক্তিকে তার রবের কাছে নিয়ে আসা হবে, এমনকি তিনি তাকে তার রহমতের পর্দায় ঢেকে রাখবেন। অতঃপর তিনি তাকে তার সমস্ত গুনাহর কথা স্বীকার করাবেন এবং বলবেনঃ তুমি কি এই গুনাহ চিনতে পারছো, তুমি কি এই গুনাহ চিনতে পারছো? সে বলবে, হে আমার রব! আমি চিনতে পারছি। তিনি বলবেন, দুনিয়ায় আমি এটা তোমার পক্ষ থেকে ঢেকে রেখেছিলাম, আর আজ এটা তোমাকে মাফ করে দিচ্ছি। অতঃপর তাকে সৎ কাজসমূহের একটি আমলনামা দান করা হবে। [বুখারী ও মুসলিম]




    * রিয়াদুস সালেহীন (২য় খন্ড) — ৪৩৩

    ৪২২

    আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ


    সেই মহান সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার জীবন! তোমরা যদি গুনাহ না করতে, তাহলে আল্লাহ তোমাদের তুলে নিয়ে যেতেন এবং তোমাদের জায়গায় এমন জাতিকে আনতেন, যারা গুনাহ করে আল্লাহর কাছে মাফ চাইতো, অতঃপর আল্লাহ তাদের মাফ করে দিতেন”। [মুসলিম]


    * রিয়াদুস সালেহীন (২য় খন্ড) — ৪২২

    ৪১৩

    আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ  

    মহান আল্লাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি একটি সৎ কাজ করবে, সে এর দশগুণ অথবা অধিক সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি একটি অন্যায় করবে, সে তেমনি একটি অন্যায়ের শাস্তি পাবে অথবা আমি মাফ করে দেবো। যে ব্যক্তি আমার এক বিঘত নিকটবর্তী হবে, আমি তার এক হাত নিকটবর্তী হবো; যে ব্যক্তি আমার এক হাত নিকটবর্তী হবে, আমি তার দুই হাত নিকটবর্তী হবো। যে ব্যক্তি হেঁটে হেঁটে আমার দিকে আসবে আমি দৌড়ে তার দিকে যাবো। যে ব্যক্তি পৃথিবী সমান গুনাহ নিয়ে আমার সাথে সাক্ষাত করবে, অথচ যে আমার সাথে কোন কিছু শরীক করেনি, আমি তার সাথে অনুরূপ (পৃথিবীভর্তি) ক্ষমা নিয়ে সাক্ষাত করবো। [মুসলিম]



    * রিয়াদুস সালেহীন (২য় খন্ড) — ৪১৩

    ৪৭২



    আবুল আব্বাস সাহল ইবনে সা’দ আস-সায়েদী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ


    “এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কোন কাজ বলে দিন, যখন আমি তা করবো তখন আল্লাহ আমাকে ভালোবাসবেন এবং মানুষও আমাকে ভালোবাসবে। তিনি বলেন, তুমি দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত হও, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসবেন এবং মানুষের কাছে যা আছে, তার প্রতিও অনাসক্ত হও তাহলে মানুষও তোমাকে ভালোবাসবে।” [ইবনে মাজাহ]




    * রিয়াদুস সালেহীন (২য় খন্ড) — ৪৭২